পৃথিবীতে এখন সেইসব মানুষের দরকার সবচাইতে বেশি, যারা মানুষের আশা আর স্বপ্নকে জাগিয়ে তুলতে পারে। আপনারাই সেই মানুষ, কারণ আপনারা আগামী দিনের সুন্দর পৃথিবী গড়ার অঙ্গীকার নিয়ে কাজ করছেন। প্রতিদিন সূর্য ওঠার সঙ্গেসঙ্গে আপনারা ব্র্যাকের লক্ষাধিক কর্মী জেগে ওঠেন এই লড়াইয়ে শামিল হবার জন্য।

আপনাদের প্রতিদিনের কাজের মধ্যেই লুকিয়ে আছে অজস্র গল্প।

আপনি কে বা কোথায় কাজ করছেন, তার চাইতেও বড় কথা, আমরা সকলে মিলে এই পরিবর্তনকে সম্ভব করে তুলছি। প্রতিদিন এই নিরলস কাজের মধ্য দিয়ে আমরা সেই স্বপ্নকে বিকশিত করে তুলছি, গড়ে তুলছি সকলের বাসযোগ্য একটি সুন্দর পৃথিবী।

আপনিই এই পরিবর্তনের রূপকার।
আপনিই সেই কর্মবীর।
আপনিই সেই যোদ্ধা।
আপনিই ব্র্যাক।

আপনাদের কৃতিত্বপূর্ণ গল্পগুলো পাঠিয়ে দিন।

গল্প পাঠানোর শেষ তারিখ ২০ মে ২০১৮

সায়মা শবনম

২০০৭ সালে ব্র্যাক পাকিস্তানের মাইক্রোফাইন্যান্স কর্মসূচির ক্রেডিট অফিসার হিসেবে কর্মজীবন শুরু করেন। এটা সেই সময়কার কথা যখন ব্র্যাক সবে পাকিস্তানে কর্মসূচির বিস্তার ঘটিয়েছে। পাকিস্তানের জনগণের নিকট তখন আস্থা অর্জনই ছিল এক বিরাট চ্যালেঞ্জ। সেই চ্যালেঞ্জ মোকাবিলা করে তিনি উত্তরোত্তর কর্মক্ষেত্রে সাফল্য অর্জন করছেন।

মেন্টর

নাবিসুবি বার্না আট বছর আগে ক্রেডিট অফিসার হিসেবে ব্র্যাকপরিবারের সঙ্গে যুক্ত হন। একজন তরুণ গ্র্যাজুয়েট হিসেবে পেশাজীবন নিয়ে তার দুটি ইচ্ছা ছিল-বড় কোনো প্রতিষ্ঠানের সঙ্গে যুক্ত হওয়া আর মানুষের কল্যাণে নিজের দক্ষতাকে কাজে লাগানো। সেই তাড়না থেকেই তিনি দরিদ্র জনগোষ্ঠীর সঙ্গে একাত্ম হয়ে কাজ করেছেন। নিজের গড়ে তোলা প্রথম গ্রামসংগঠনের সদস্যদের সঙ্গে এখনও তার নিয়মিত যোগাযোগ রয়েছে। পেশাগত জীবনে উন্নতির সঙ্গেসঙ্গে তিনি তার ব্যক্তিগত জীবনেরও উন্নতি ঘটিয়েছেন। ক্রেডিট অফিসার থেকে ব্রাঞ্চ ম্যানেজার এবং বর্তমানে তিনি এরিয়া ম্যানেজার হিসেবে কর্মরত রয়েছেন। এর পাশাপাশি গ্রামসংগঠনের বিভিন্ন পদেও তিনি দায়িত্বপালন করছেন। ওম্যান্স ট্রাস্ট গ্রুপের আর্থিক উপদেষ্টা হিসেবে যেমন তিনি রয়েছেন আবার বাকালা টউইকেমবে গ্রুপের কোষাধ্যক্ষ হিসেবেও তিনি কাজ করছেন।

নাবিসুবি তার ক্লায়েন্ট, সহকর্মী এবং গ্রামের আরও অনেকের কাছে একজন বিশ্বস্ত মেন্টর হিসেবে পরিচিত। অফিসের নির্ধারিত সময়ের দায়িত্বপালনের বাইরেও তিনি তার গ্রামের শিশুদের স্কুলে যাওয়ার ব্যাপারে সহযোগিতা করেন। বাণিজ্যিক পোলট্রি ফার্ম আর সবজি বাগানের রক্ষণাবেক্ষণে সহকর্মীদের দিকে সর্বদাই তিনি সহযোগিতার হাত বাড়িয়ে দেন।

কীভাবে গল্পটি পাঠাবেন:

সর্বোচ্চ দুই পাতার মধ্যে লিখুন।

গল্পের শেষে আপনার নাম, আইডি, কর্মসূচি এবং যোগাযোগের ঠিকানা লিখতে হবে

আমাদের ঠিকানা:

স্যার ফজলে হাসান আবেদ,
৭৫ মহাখালী, ঢাকা ১২১২।

ইমেইল:

iambrac@brac.net


সেরা গল্পগুলো ব্র্যাকের কর্মীদের মধ্যে শেয়ার করা হবে। বিজয়ীরা পাবেন আবেদভাইয়ের কাছে তাঁদের গল্প বলার সুযোগ আর একটি করে মোবাইল ফোন।

বিশেষ দ্রষ্টব্য: আই অ্যাম ব্র্যাক-এর একবারের বিজয়ী আর কখনও গল্প প্রেরণের জন্য বিবেচিত হবেন না।

যোগাযোগ

ব্র্যাক সেন্টার, ৭৫ মহাখালী, ঢাকা ১২১২।

Tel: ৮৮০-২-৯৮৮১২৬৫

iambrac@brac.net